শিবগঞ্জে ‘মেধা অন্বেষণ পরীক্ষা’, অংশ নিলেন ২২০০ শিক্ষার্থী-শিক্ষক | Daily Chandni Bazar শিবগঞ্জে ‘মেধা অন্বেষণ পরীক্ষা’, অংশ নিলেন ২২০০ শিক্ষার্থী-শিক্ষক | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২৩:২৯
শিবগঞ্জে ‘মেধা অন্বেষণ পরীক্ষা’, অংশ নিলেন ২২০০ শিক্ষার্থী-শিক্ষক
শিবগঞ্জ, বগুড়া সংবাদদাতাঃ

শিবগঞ্জে ‘মেধা অন্বেষণ পরীক্ষা’, অংশ নিলেন ২২০০ শিক্ষার্থী-শিক্ষক

 শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশ এবং শিক্ষার বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণে বগুড়ার শিবগঞ্জ ও মোকামতলা এলাকায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষকদের মেধা ও দক্ষতা যাচাইয়ে আয়োজন করা হয়েছে ‘মেধা অন্বেষণ পরীক্ষা’।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় শিবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের ব্যবস্থাপনায় এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের উদ্যোগে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, শিবগঞ্জ সরকারি বালিকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এবং চৌধুরী আদর্শ মহিলা মহাবিদ্যালয় কেন্দ্রে একযোগে এক ঘণ্টার পরীক্ষা নেওয়া হয়। জাতীয়, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রণীত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষায় অংশ নেন শিবগঞ্জ ও মোকামতলা এলাকার প্রায় ১ হাজার ৬০০ শিক্ষার্থী এবং ৬০০ শিক্ষক।

ব্যতিক্রমী এ আয়োজন সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, তাঁর নির্বাচনি এলাকার প্রতিটি বিদ্যালয় ও কলেজের মেধাবীদের র‌্যাংকিং করতেই এ আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষকদেরও পরীক্ষায় যুক্ত করা হয়েছে। শিক্ষকদের শিক্ষা ও দেশ নিয়ে ভাবনা জানা এবং বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের পথ খুঁজে বের করে তা সরকারের কাছে পৌঁছে দেওয়াই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রথম সারির ৪০০ শিক্ষার্থী ও ২০০ শিক্ষককে নিয়ে শিগগিরই বিশেষ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হবে। নতুন শিক্ষাক্রম, দক্ষতার উন্নয়ন ও আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার উপযোগী বিভিন্ন প্রস্তাবনা স্থানীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ হিসেবে পাঠানো হবে।

পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। গাংনগর দাখিল মাদরাসার শিক্ষক শাহজাহান আলী বলেন, শিক্ষকদের জন্য এ ধরনের মেধা যাচাইয়ের আয়োজন সত্যিই বিরল। এটি পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে উৎসাহিত করবে।

নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী রেশাদ রহমান অনিক বলে, এ ধরনের প্রতিযোগিতা পড়াশোনায় নতুন উদ্দীপনা ও সৃজনশীলতা বাড়াবে।

শিক্ষাবিদ ও স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করছেন, নীতিনির্ধারণে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সরাসরি যুক্ত করার এ ধরনের আয়োজন অন্যান্য এলাকার জন্যও অনুকরণীয় মডেল হতে পারে।