সাঘাটায় বালু দখল ও সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ | Daily Chandni Bazar সাঘাটায় বালু দখল ও সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ১ অক্টোবর, ২০২৬ ০২:০৫
সাঘাটায় বালু দখল ও সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ
নুর হোসেন রেইন, গাইবান্ধা থেকে

সাঘাটায় বালু দখল ও সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার কচুয়া গ্রামে ড্রেজিং ও পুনঃখননের সরকারি প্যাকেজের আওতায় উত্তোলন করা বালু জোরপূর্বক সরিয়ে নেওয়া, বিক্রির চেষ্টা এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. আবু তাহের সাঘাটা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কচুয়া গ্রামের মৃত সাহেব আলী সরকারের ছেলে মো. আবু তাহের ও তাঁর পরিবারের মালিকানাধীন জমিতে নদী থেকে খনন করা মাটি ও বালু জমা করা হয়। অভিযোগকারীর দাবি, ‘প্যাকেজ নং-মাটি/বালি নিলাম/বাঙালি ০৬/২০২৩’-এর আওতায় নিলাম প্রক্রিয়া শেষে অবশিষ্ট বালু ফসলের ক্ষতিপূরণ বাবদ জমির প্রকৃত মালিকদের ব্যবহারের জন্য ব্যবস্থাপনা কমিটি অনুমোদন দেয়। সে অনুযায়ী জমা করা বালুর প্রকৃত মালিকানা তাঁদের পরিবারের বলে দাবি করেন আবু তাহের।

অভিযোগে বলা হয়, গত ২৮ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টার দিকে কচুয়া গ্রামের মো. মশিউর রহমান, মো. আহসান হাবীব সুমন, মো. ফিরোজ ও তছলিম উদ্দিনসহ কয়েকজন ওই জমিতে প্রবেশ করেন। পরে তাঁরা এক্সকাভেটর (ভেকু) দিয়ে জমা করা বালু অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে বাধা দিলে তাঁদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন আবু তাহের।

আবু তাহের বলেন, “বিবাদীরা আমাদের নিজ জমির বালু জোরপূর্বক নিয়ে যাচ্ছে। বাধা দিলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”

তিনি এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

সাঘাটা থানার পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে সাঘাটা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রতন কুমার দত্ত বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। বালু বিক্রি বন্ধের জন্য বলা হয়েছে এবং উভয় পক্ষকে ডাকা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সাঘাটার কচুয়া এলাকায় বালু উত্তোলন ও পরিবহন নিয়ে এর আগেও প্রশাসনিক অভিযান হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে কচুয়া ইউনিয়নের ত্রিমোহনী ব্রিজ এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত একটি ড্রেজার বন্ধ করে দেয় উপজেলা প্রশাসন।