শেরপুরে নিখোঁজের তিন দিন পর নদীতে অটোরিকশাচালকের অর্ধগলিত লাশ | Daily Chandni Bazar শেরপুরে নিখোঁজের তিন দিন পর নদীতে অটোরিকশাচালকের অর্ধগলিত লাশ | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ০০:৫৩
শেরপুরে নিখোঁজের তিন দিন পর নদীতে অটোরিকশাচালকের অর্ধগলিত লাশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

শেরপুরে নিখোঁজের তিন দিন পর নদীতে অটোরিকশাচালকের অর্ধগলিত লাশ

বগুড়ার শেরপুরে নিখোঁজের তিন দিন পর করতোয়া নদী থেকে আশাদুল ইসলাম নামে এক অটোরিকশাচালকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শাহ-বন্দেগী ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর নামাপাড়া এলাকায় নদীর পশ্চিম পাড় থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, তাঁকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।

নিহত আশাদুল ইসলাম ২৫ বছর বয়সী। তিনি শেরপুর উপজেলার গাড়িদহ ইউনিয়নের কাফুরা গ্রামের আয়েজ উদ্দিনের ছেলে। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে কয়েকজন কিশোর করতোয়া নদীর পাড়ে খেলতে গিয়ে লাশটি দেখতে পায়। পরে তারা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে শেরপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। এ সময় পরিবারের সদস্যরা এসে পরনের কাপড় দেখে লাশটি আশাদুলের বলে শনাক্ত করেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, গত শনিবার ২৪ অক্টোবর দুপুরে অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন আশাদুল। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান না পেয়ে পরদিন রোববার তাঁর মা আঞ্জুয়ারা শেরপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। ওই দিন বগুড়া সদর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা পরিত্যক্ত অবস্থায় ব্যাটারি ছাড়া অটোরিকশাটি উদ্ধার করেন।

শেরপুর থানার পরিদর্শক তদন্ত জয়নুল আবেদিন জানান, লাশের পরিচয় নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহের জন্য বগুড়ার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন পিবিআই ও অপরাধ তদন্ত বিভাগের সিআইডিকে খবর দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দল ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইকরামুল হোসাইন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আশাদুলকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তাঁর অটোরিকশাটি বগুড়া সদর থানার একটি পুলিশ ফাঁড়িতে রয়েছে।