প্রকাশিত : ১০ এপ্রিল, ২০২২ ১৬:০৩

আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি সভা

অনলাইন ডেস্ক
আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি সভা

কোনো ধর্মই অশান্তি, উগ্রতা এবং বিদ্বেষ ছড়ানোকে অনুমোদন করে না। সমাজে সম্প্রীতি নষ্টের একটা বড় কারণ হলো, নিজের ধর্ম ছাড়া অন্য ধর্মের অনুসারীদের অসম্মান করা, কে বড় আর কে ছোট তা নিয়ে বিবাদ করা।

শনিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে এক আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বক্তারা। অনুষ্ঠান শুরু হয় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত এবং পবিত্র বাইবেল পাঠের মাধ্যমে। খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রায় দেড়শ’ প্রতিনিধি এতে অংশ নেন। দুই ঘণ্টা স্থায়ী অনুষ্ঠানটি ছিল সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সহিষ্ণুতার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

ঢাকার বকশীবাজারের আহমদিয়া মুসলিম জামা’ত বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ কমপ্লেক্স চত্বরে অনুষ্ঠিত আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি অনুষ্ঠানের এবারের পর্বে খ্রিষ্টধর্মের দেড়শ প্রতিনিধির সাথে আহমদিয়া মুসলিম জামাতের সাড়ে তিনশ’ প্রতিনিধি যোগ দেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শাশ্বতকাল থেকে ইসলামের প্রচার ও প্রসার জোর-জবরদস্তি ও বল প্রয়োগে নয় বরং সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি আর অনুপম আদর্শের দ্বারা সম্ভব হয়েছে। ইসলাম অন্যধর্মের উপাস্যকেও গালি দিতে নিষেধ করেছে। বিদ্বেষ ছড়ানো এবং অন্যকে আক্রমণ করার অধিকার ইসলামে নেই।

আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতির এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, আলহাজ্জ আহমদ তবশীর চৌধুরী, মওলানা শাহ মুহাম্মদ নুরুল আমীন, সিস্টার পূরবী সিরাং, মিসরীর কপটিক মিশনারী ফাদার অগাস্টিন, ফাদার গিওম ও ফাদার ফ্রান্সিসকো।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট লেখক ও কলামিস্ট মহিউদ্দিন আহমদ। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য ও সম্মিলিত দোয়া পরিচালনা করেন, আহমদীয়া ন্যাশনাল আমির আলহাজ্জ মওলানা আব্দুল আউয়াল খান চৌধুরী।

অনুষ্ঠান শেষে ৬৯টি ভাষায় অনুদিত পবিত্র কুরআনের একটি দুর্লভ প্রদর্শনী দেখে মুগ্ধ ও অভিভূত হন উপস্থিত সবাই। এদিন সবাইকে ইফতার ও রাতের খাবার দ্বারা আপ্যায়ন করা হয়।

দৈনিক চাঁদনী বাজার / সাজ্জাদ হোসাইন  

উপরে